কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি ঃ
কুয়াকাটার আলীপুরে বাজার ব্যবসায়ী কমিটির অব্যবস্থাপনায় গড়ে ওঠছে যত্রতত্র একাধিক ভাষমান দোকান পাট। একটি কু-চক্রিমহলের যোগসাজশে মোটা অংকের ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে এসব ভাসমান দোকান পাট গড়ে ওঠছে এমন অভিযোগ অনেকের। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অনেক ভাসমান দোকান্দার রাস্তার উপর তৈরীকৃত চকি ভাড়া নিয়ে তার পরে তারা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। ভাসমান দোকানীদের সাথে কথা বললে জানা যায়, তারা এক একটি চকির বিনিময় বছরে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা ভাড়া দিচ্ছে। একটি মহল বাজারের পরিবেশ ও শৃঙ্খলা নষ্ট করে নিজেদের আখের গোছাতে রাস্তার উপর এসব যত্রতত্র ভাসমান দোকান বসিয়েছেন। তবে এ সুযোগ হাতছাড়া করেননী বাজার ইজারাদার কতর্ৃপক্ষ। কেঁচো খুজতে সাপ বেড়িয়ে আসার মত, ইজারাদারের লোকজন টাকার লোভে ফলবিক্রেতাদের মধ্যে বেশ কিছু দোকান আইনের তোয়াক্কা না করে নিজেদের খেয়াল খুশিমতো একেবারে রাস্তার উপরে অপরিকল্পিতভাবে এভাবে ভাসমান ফলের দোকান বসিয়েছেন। সেখান থেকে প্রতি দোকান থেকে প্রতি ক্যারেট বাবদ ৩০ টাকা করে প্রতি দোকান থেকে দৈনিক পায় তিন থেকে চারশত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। কুয়াকাটাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সাপ্তাহিক বাজার মৎস্য বন্দর আলীপুর-মহিপুর হওয়ায় এ অঞ্চলের হাজার হাজার কৃষক নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদী ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য আসেন এখানে। বাজার কমিটির অব্যবস্থাপনার কারণে গড়ে ওঠা যত্রতত্র ভাসমান দোকাান পাটের ফলে পড়তে হয় বিপাকে। একদিকে বেদখল হচ্ছে বাজারের জমি অপর দিকে রাস্তার উপর যত্রতত্র দোকান গড়ে ওঠায় গাড়ি চলাচলে বিঘ্নিত হয়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এছাড়া আলীপুর চৌ-রাস্তায় বর্তমানে যেভাবে গাড়ির ভীর লক্ষ্য করা যায়, তাতে শৃঙ্খলার জন্য ট্রাফিক পুলিশের সহায়তা প্রয়োজন। অথচ এতো ভীড়ের মধ্যেও একেবারে রাস্তার উপরে একটি ফলের দোকান রাস্তা আটকিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এ যেনো রাম-রাজত্বের মতো। এব্যাপারে বাজার কমিটির সেক্রেটারী মো: সোহরাফ হোসেন বলেন, বাজারে কিছু ভাসমান দোকান রয়েছে তারা কোন অপশক্তির সাথে যোগাযোগ করে আইনের তোয়াক্কা না করে এমন যত্রতত্রভাবে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করছে। বাজারের স্বার্থে এসব দোকান অপসারণ করা দরকার। এব্যাপারে পদাধীকার বলে বাজার কমিটির সভাপতি লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: আনছার উদ্দিন মোল্লা সাংবাদিকদের বলেন, বাজারের জমি দাতারা এখন পর্যন্ত বাজারের জমি বুঝ দেয়নী, যেকারণে আমরা শৃঙ্খলা আনতে পারিনী, তবে চকি ভাড়া দেয়া একটা অপরাধ এটা কারা করতেছে তা আমি জানি না, তবে চৌ-রাস্তায় অপরিকল্পিত দোকান অপসারণের জন্য একাধীকবার চেষ্টা করেছি কিন্তু অপসারণ করানোর কিছুদিন যেতে না যেতেই আবার গড়ে ওঠে এসব দোকান-পাট।